গাজার শিশু বারা আবু সিলার মৃত্যু: অবরোধে ক্ষুধায় ধুঁকে ধুঁকে এক গণহত্যার গল্প

Emaciated child of Gaza named Baraa Abu Sila, victim of starvation due to Israeli-American blockade.

ক্ষুধা একটি গণহত্যা: গাজার ছোট্ট বারা আবু সিলার গল্প

গাজার অপুষ্টিতে ভুগে মৃত শিশু বারা আবু সিলা, ইসরায়েলি-আমেরিকান অবরোধের শিকার।


🟥 এই ছোট্ট মেয়েটির নাম ছিল বারা আবু সিলা। বয়স ছিল মাত্র ১০ বছর।
কিন্তু তাকে বাঁচতে দেওয়া হয়নি।

ইসরায়েল ও আমেরিকার চাপানো অবরোধ, ও একটি পরিকল্পিত ক্ষুধার যুদ্ধ—তাকে ধীরে ধীরে মৃত্যু দিকে ঠেলে দিয়েছে।


ওজন নয়, মৃত্যুর দিকে চলা এক যাত্রা

বারার শরীর ছিল ২৫ পাউন্ডেরও কম
তার পাঁজর ও মেরুদণ্ড—চামড়ার উপর দিয়েই দেখা যাচ্ছিল।
সে ডায়াপার না পেয়ে প্লাস্টিক ব্যাগ পরে ছিল।

শেষ মুহূর্তে, তার বাবা তাকে কোলে তুলে নিয়েছিলেন—এক নিঃসাড়, নিঃশ্বাসহীন, নিস্তেজ দেহ।

এটি ছিল না কোনো দুর্ঘটনা।
এটি ছিল ক্ষুধা দিয়ে হত্যা—একটি শিশুকে পরিকল্পিতভাবে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া।


এটি একটি একক ঘটনা নয়

বারা হলো হাজার হাজার গাজাবাসী শিশুদের মধ্যে একজন, যারা প্রতিদিন অপুষ্টি, পানির অভাব, ওষুধের অভাব, এবং আতঙ্কের মধ্যে বেঁচে আছে।

খাদ্য এখানে অস্ত্র
পানি বন্ধ
ঔষধ পৌঁছায় না
এমনকি শিশুদের দুধ পর্যন্ত রোধ করা হয়।

এটি একটি মানবিক সংকট নয়।
এটি সাংবাদিকতায় লুকোনো, রাষ্ট্রীয়ভাবে পরিচালিত গণহত্যা


গণহত্যার অনেক রূপ আছে — ক্ষুধাও তার একটি

যখন একটি শিশুকে ইচ্ছাকৃতভাবে খাদ্য, চিকিৎসা, ও বেঁচে থাকার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয় — তখন এটি মৃত্যু নয়, এটি হত্যা

যখন বিশ্ব নীরব থাকে,
যখন মিডিয়া চুপ করে যায়,
যখন ক্ষমতাধররা দোষীদের পক্ষে সাফাই গায় —
তখন এই নীরবতা অপরাধে পরিণত হয়


আপনি কী করতে পারেন?

📣 চুপ না থেকে আওয়াজ তুলুন!

বারার সংক্ষিপ্ত জীবনের যেন অকাল মৃত্যু হয় না—স্মরণীয় হয়ে থাকুক প্রতিরোধের একটি প্রতীক হিসেবে।


“যে একজন মানুষের প্রাণ রক্ষা করলো, সে যেন পুরো মানবজাতিকে রক্ষা করলো।” — আল-কুরআন (৫:৩২)

🕊️ আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বারাকে জান্নাতুল ফিরদাউস দান করুন।
গাজার প্রতিটি নিপীড়িত প্রাণের কষ্ট লাঘব করুন। আমিন।


📌 #গাজা #বারা_আবু_সিলা #ক্ষুধা_গণহত্যা #LetGazaLive #DocumentingOppression #বয়কটইসরায়েল


Exit mobile version