বিতর্কিত ওয়াকফ বিল ঘিরে জ্বলছে মুর্শিদাবাদ — জনগণের কণ্ঠরোধের নিষ্ঠুর প্রচেষ্টা!

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদে বিতর্কিত ওয়াকফ বিলের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে গুলি, লাঠিচার্জ ও ইন্টারনেট বন্ধ। আহত ৩, জনগণের কণ্ঠরোধে রাষ্ট্রীয় দমন। বিস্তারিত পড়ুন।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলায় চলছে চরম উত্তেজনা ও নিপীড়নের নগ্ন খেলা। বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিলের প্রতিবাদে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে নেমেছিলো সাধারণ মুসলিম জনগণ। কিন্তু সেই প্রতিবাদ রুখতে পুলিশ ঝাঁপিয়ে পড়ে লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাস, এমনকি গুলিচালনার মতো চরম সহিংসতায়।

📍 সুতি ও সামশেরগঞ্জ, জঙ্গিপুর মহকুমার এই দুই এলাকায় শুক্রবার (১১ এপ্রিল) বিক্ষোভকারীদের উপর পুলিশের বর্বর আক্রমণ হয়।
📌 তিনজন সাধারণ মানুষ পুলিশের গুলিতে গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা, যদিও পুলিশ দাবি করছে তারা গুলি চালায়নি!
📌 একটি সরকারি বাসে আগুন, বারবার সংঘর্ষ, ইটপাটকেল নিক্ষেপ — এগুলো কোনো সহিংসতার সূচনা নয়, বরং দীর্ঘদিনের জমে থাকা ক্ষোভের বিস্ফোরণ।
📌 ইন্টারনেট বন্ধ, ১৪৪ ধারা জারি, জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা — যেন জনগণের কণ্ঠ পুরোপুরি স্তব্ধ করে দেওয়া হয়।

🛑 অথচ প্রশ্ন হচ্ছে — মুসলিমদের ওয়াকফ সম্পত্তির উপর এই নজরদারিমূলক বিলের মাধ্যমে সরকার ঠিক কী চায়? কেন বছরের পর বছর ধরে সংখ্যালঘুদের ধর্মীয় অধিকার ও সম্পদের উপর বারবার আঘাত আসছে?


🎙️ স্থানীয় বিক্ষোভকারী মর্তুজা হোসেন বলেন,
“পুলিশের গুলিতে আমাদের তিনজন ভাই গুরুতর আহত হয়েছেন। আমরা শুধু আমাদের ধর্মীয় অধিকার রক্ষার দাবি জানিয়েছিলাম।”


🔒 পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সুতি ও আশপাশের এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন, সব রেলস্টেশনে অতিরিক্ত নজরদারি, এবং ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে জনগণের প্রতিবাদকে স্তব্ধ করার হীন চেষ্টা চলছে।


💬 আমরা জিজ্ঞেস করি:
➡️ জনগণ শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করলে গুলি কেন?
➡️ ওয়াকফ সম্পত্তির উপর এই রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ কেন?
➡️ কেন বারবার মুসলিমদের কণ্ঠ চেপে ধরতে চায় এই সরকার?


🟢 এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলুন।
🟢 প্রহসনের ন্যায়বিচার নয়, চাই প্রকৃত জবাবদিহিতা।
🟢 যারা নির্যাতিত, তাদের পাশে দাঁড়ান।

#DocumentingOppression #RejectWaqfBill #StandWithMurshidabad #StopMuslimPersecution


Exit mobile version