যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র সচিব মার্কো রুবিও ঘোষণা দিয়েছেন যে, মুসলিম ব্রাদারহুডকে “সন্ত্রাসী সংগঠন” হিসেবে তালিকাভুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করছে যুক্তরাষ্ট্র। এই সিদ্ধান্তকে অনেকেই বিশ্বজুড়ে ইসলামী রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলনের বিরুদ্ধে চলমান দমন-পীড়নের আরেকটি ধাপ হিসেবে দেখছেন।
মুসলিম ব্রাদারহুড দীর্ঘদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্য ও মুসলিম বিশ্বে একটি প্রভাবশালী ইসলামী আন্দোলন হিসেবে পরিচিত। সমর্থকদের মতে, এটি একটি সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন, যা শিক্ষা, দাতব্য কাজ এবং নৈতিক সংস্কারের ওপর জোর দেয়। তবে যুক্তরাষ্ট্রসহ কিছু দেশ সংগঠনটিকে নিরাপত্তা ঝুঁকি হিসেবে আখ্যায়িত করে আসছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই পদক্ষেপের ফলে শুধু মুসলিম ব্রাদারহুড নয়, বরং সংশ্লিষ্ট বহু দাতব্য প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন এবং রাজনৈতিক কর্মীর ওপরও চাপ বাড়তে পারে। একই সঙ্গে এটি মুসলিম বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা ও নীতির বিষয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অনেকে মনে করছেন, এই ধরনের সিদ্ধান্ত মুসলিম জনগোষ্ঠীর রাজনৈতিক অধিকার ও কণ্ঠরোধের প্রবণতাকে আরও জোরদার করবে, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার নীতির সঙ্গেও সাংঘর্ষিক।
#documentingoppression #us #america #MuslimBrotherhood #IslamicMovements #HumanRights #GlobalPolitics
